শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও দেশের আড়াই হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম নেই। শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও যেহেতু এখনো ইআইআইএন নম্বর আছে তাই এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদন বাতিল হয়নি। তাই এসব প্রতিষ্ঠানকে কাগজপত্রে এখনো বন্ধের তালিকাভুক্তও করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাস্তবে এসব প্রতিষ্ঠান কার্যত নেই।

দেশের মাধ্যমিক থেকে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান সংগ্রহ, সংকলন ও বিতরণ করে সরকারি সংস্থা ব্যানবেইস। সংস্থাটির তথ্য বলছে,  শিক্ষা বিভাগের অনুমোদন থাকা (ইআইআইএন বা এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেনটিফিকেশন নম্বর) সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম গত কয়েক বছরে বন্ধ হয়ে গেছে। 'বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান' প্রতিবেদনের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এই তথ্য পেয়েছে ব্যানবেইস।

শিক্ষা কার্যক্রম না থাকা এসব প্রতিষ্ঠানের সবই বেসরকারি মালিকানার আওতাধীন। এর মধ্যে গত কয়েক বছরে ১ হাজার ২৭৪টি বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে। এছাড়া ৯১২টি কলেজ, ৭৪১টি মাদ্রাসা, ৩৭ শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ৩১৩টি কারিগরি প্রতিষ্ঠান, ৪৪টি পেশাগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েরও অবস্থা একই।